পোস্টার বিহীন প্রচারণা,ডিজিটাল বা কাগজের পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা,রঙিন প্রচার সামগ্রী ব্যবহার নিষেধ,সীমিত সংখ্যক মাইক ব্যবহার,অন্যের ভোটার আইডি বহন বা হস্তান্তরে না-সহ ইসির বেঁধে দেয়া আচরণবিধিতে শুরু হলো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
প্রতীক বরাদ্দের পর সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ,তাড়াশ-সলঙ্গা) আসনের প্রার্থীরা ইসির বেঁধে দেয়া নিয়ম নীতি মানার শর্তে মাঠে নেমেছেন নির্বাচনী ভোট যুদ্ধে।
শহীদ জুলাই যোদ্ধাদের স্মরণে শ্রদ্ধা নিবেদন,মৃত বাবা-মার কবর জিয়ারত,মাজার জিয়ারত,দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে সকল আনুষ্ঠানিকতা সেরে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে ছুটে চলেছেন ভোটারদের কাছে।সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে প্রার্থী হলেন,ভিপি আয়নুল হক (বিএনপি),মাও: মুহা.আব্দুর রউফ (খেলাফত মজলিস),ফজলুল হক (জাতীয় পার্টি) এবং ইলিয়াস রেজা রবিন (স্বতন্ত্র প্রার্থী)।
দীর্ঘদিন ধরে মাঠ চষে বেড়ানো জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ড. শায়েখ আব্দুস সামাদ জোটবদ্ধ শরীক দলের কারনে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছেন। কিছু কিছু এলাকায় প্রার্থীদের খন্ড খন্ড মিছিল শুরু হয়েছে।তবে এখনো মাইকের প্রচার শব্দ শোনা যায়নি।প্রার্থীর দায়িত্বশীলরা নির্বাচনী কেন্দ্র পরিচালনা কমিটি গঠনও শুরু করেছেন বলে জানা গেছে।ইতিমধ্যেই ভোটারদের মন জয় করতে কর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাওয়া শুরু হয়েছে।সকল প্রার্থীরাই নির্বাচনের মাঠে এখন ভোট প্রার্থনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।