সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারকাদের নিয়ে ট্রল, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য এবং এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে আপত্তিকর ভিডিও তৈরির ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন টালিউড অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি।
তিনি বলেন, বাকস্বাধীনতা মানেই যা খুশি বলা নয়। এমন সম্মানহানি রোধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও কঠোর আইন প্রণয়নের প্রয়োজন রয়েছে। শ্রাবন্তীর মতে, মানুষের ব্যক্তিগত হতাশা বা ক্ষোভ সামাজিক মাধ্যমে এভাবে প্রকাশ করা কাম্য নয়। ট্রলিংয়েরও একটি সীমা থাকা উচিত। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন অনেক কিছু উপেক্ষা করেছেন। কিন্তু এখন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিশিষ্টজন কেউই ট্রলিং ও অশালীন মন্তব্যের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন না
এমনকি অনেক ক্ষেত্রে নারীরাই অন্য নারীকে অসম্মান করছেন। এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে তারকাদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ভিডিও তৈরি করার ঘটনাও উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেন এই অভিনেত্রী। এসব কারণেই তিনি বাধ্য হয়ে আইনের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জানান। শ্রাবন্তী’র হুঁশিয়ারি, সামাজিক মাধ্যমে যারা নাম-পরিচয় গোপন করে কিংবা প্রকাশ্যেই গালিগালাজ ও অশালীন মন্তব্য করেন, তাদের সতর্ক করতে কঠোর আইন প্রয়োজন। আমিও সে পথেই হাঁটছি। তিনি বলেন, শুধু নারী নয়, পুরুষরাও এসব আচরণের শিকার হচ্ছেন।
তবে নারীদের বেশি লক্ষ্যবস্তু করা দীর্ঘদিনের এক অভ্যাসে পরিণত হয়েছে বলে মনে করেন তিনি। তবে এত নেতিবাচকতার মধ্যেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ছেড়ে দেয়ার পক্ষপাতী নন শ্রাবন্তী। তার মতে, সেখানে তাকে ভালোবাসেন এমন মানুষের সংখ্যাও কম নয়। পাশাপাশি পেশাগত কারণেই সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় থাকা প্রয়োজন বলেও মনে করেন অভিনেত্রী।