বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের বদলির আবেদন অনলাইনে আজ শুক্রবার (২১ আগস্ট) থেকে শুরু হয়েছে। যা আগামী ২৭ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একজন আবেদনকারী তার পছন্দের ক্রমানুসারে সর্বোচ্চ তিনটি প্রতিষ্ঠানে আবেদনের সুযোগ পাবেন। বদলির নীতিমালা অনুযায়ী, স্বংয়ক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে যাচাই শেষে কর্তৃপক্ষ বদলির আদেশ জারি করবে।
শিক্ষকরা নিজ জেলায় বদলির আবেদন করতে পারবেন। নিজ জেলায় পদ শূন্য না থাকলে নিজ বিভাগের যেকোনো জেলায় শূন্যপদের বিপরীতে বদলির আবেদন করতে পারবেন। শিক্ষকরা স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা বা সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্বশাসিত বা এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত স্বামী বা স্ত্রীর জেলায় বদলির আবেদন করতে পারবেন।
অধিদপ্তর জানিয়েছে, বদলির সফটওয়্যারে প্রতিষ্ঠানের দেয়া তথ্যে ভুল থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান ও আবেদনকারী শিক্ষক ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।
চাকরির দুই বছর পূর্ণ হলে শিক্ষকরা বদলির আবেদনের জন্য যোগ্য হবেন। বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর কমপক্ষে দুই বছর নিয়োজিত থাকার পর পরের বার বদলির আবেদন করা যাবে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর। অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্য সম্বলিত বদলির আবেদন বিবেচনা করা হবে না বলে জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর।
কোনো শিক্ষকের এমপিও বন্ধ থাকলে বা তিনি সাময়িক বরখাস্ত থাকলে বা তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা থাকলে তিনি বদলির যোগ্য হবেন না বলেও জানানো হয়েছে। বদলির আদেশ জারির ১০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকে বদলিকৃত শিক্ষকের অবমুক্তি নিশ্চিত করতে হবে। অবমুক্ত হওয়ার ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে।
শিক্ষকদেরকে (http://ngttdshe.teletalk.com.bd/#/login) এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে বদলির আবেদন করতে হবে। ২০২৬ সালে প্রণীত সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষকদের বদলির আবেদন যাচাই-বাছাই করা হবে বলেও জানিয়েছে অধিদপ্তর।
গত ৬ মে জারি করা এ নীতিমালায়, বেসরকারি স্কুল-কলেজের সহকারী শিক্ষক, প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপকদের পাশাপাশি অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রদর্শক ও ট্রেড ইন্সট্রাক্টরদের সমস্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বদলি হওয়ার সুযোগ দেয়া হয়েছে।