চোট থেকে এখনো পুরোপুরি সেরে ওঠেননি তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার। ফলে ২০২৬ বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে তাকে ছাড়াই মাঠে নামতে হচ্ছে ব্রাজিলকে।
আগামীকাল রবিবার ভোর ৪টায় মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মরক্কোর বিপক্ষে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে কার্লো আনচেলত্তির দল। ষষ্ঠ বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামা ব্রাজিলের জন্য উদ্বোধনী ম্যাচে নেইমারের অনুপস্থিতি বড় ধাক্কা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
পায়ের মাংসপেশির চোট থেকে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন নেইমার। এ কারণে গত কয়েক দিন জাতীয় দলের অনুশীলনেও অংশ নিতে পারেননি তিনি।
ফলে মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচে ব্রাজিলকে তার অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ডকে ছাড়াই আক্রমণভাগ সাজাতে হচ্ছে।
ব্রাজিলের কোচ আনচেলত্তি নিশ্চিত করেছেন যে, মরক্কোর বিপক্ষে দলের উদ্বোধনী ম্যাচে নেইমার খেলবেন না। তবে তিনি জানিয়েছেন, ৩৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য কঠোর পরিশ্রম করছেন এবং শিগগিরই দলে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
আনচেলত্তি বলেন, ‘নেইমার যত দ্রুত সম্ভব সুস্থ হয়ে ফেরার জন্য কঠোর পরিশ্রম করছে।
আমরা আশা করছি, আগামী সপ্তাহেই সে পুরোপুরি ফিট হয়ে আবার দলে যোগ দেবে।’
ব্রাজিলের জার্সিতে নেইমার সর্বশেষ খেলেছিলেন ২০২৩ সালের অক্টোবরে। এরপর দীর্ঘ সময় জাতীয় দলের বাইরে ছিলেন তিনি। চোট নিয়ে শঙ্কা থাকলেও নানা আলোচনা-সমালোচনার পর শেষ পর্যন্ত তাঁকে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দলে রাখেন আনচেলোত্তি।
গত ৮ জুন ব্রাজিল দলের মেডিক্যাল বিভাগ জানায়, নেইমারের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া সন্তোষজনকভাবে এগোচ্ছে।
যদিও মরক্কোর বিপক্ষে তাকে পাওয়া যাচ্ছে না, তবে গ্রুপ পর্বের বাকি দুই ম্যাচে তাকে মাঠে দেখার আশা করছে ব্রাজিল শিবির।
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে মরক্কোর পর ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ হাইতি ও স্কটল্যান্ড। এই দুই ম্যাচের যেকোনো একটিতে নেইমারের প্রত্যাবর্তন হতে পারে বলে আশাবাদী দলটির কোচিং স্টাফ।