এবার এসএসসি পরীক্ষার খাতা পুনঃমূল্যায়নে ২৭ হাজার ৮৩৬ জনের গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে। নম্বর পরিবর্তন হয়েছে ৫৬ হাজার ২৫৯টি। ফেল থেকে পাস করেছেন ৪ হাজার ৫৮৫ জন এবং ৩ হাজার ৭৯ জন পেয়েছেন এ প্লাস। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভা শেষে ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবার আইন করে এসএসসি পরীক্ষায় খাতা পুনঃমূল্যায়নের সুযোগ রাখা হয়েছিল। পাস করা শিক্ষার্থীর সংখ্যার চেয়েও বেশি পুনঃমূল্যায়নের আবেদন পাওয়া গিয়েছিল। আগের দিনগুলোতে এ ব্যবস্থা না থাকায় অনেকে সঠিক ফলাফল থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ নিয়েও কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, এ নিয়োগ নিয়ে অনেক মিডিয়ায় বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশ হয়েছে, এতে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি জানান, এ পর্যন্ত ১৩ হাজার ৮৫৪ জনের ফাইনাল আবেদন এসেছে। ডিপিও লেটার ইস্যুর সময় দেখা গেছে, অনেকের ঠিকানা পরিবর্তন হয়েছে এবং অনেকে ঠিকমতো যোগাযোগ করেননি। এসব তথ্য পর্যায়ক্রমে ওয়েবসাইটে দেয়া হচ্ছে এবং পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৮১৭ জনের নিয়োগপত্র পাওয়া বাকি রয়েছে। পর্যায়ক্রমে ভেরিফিকেশন চলছে এবং ঠিকানা পাওয়া যাচ্ছে। আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে। এরপর চূড়ান্ত যে সংখ্যা থাকবে, সেটি নিয়ে কাজ করা হবে।
এ ছাড়া আগামীতে অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষক বদলি হবে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।
বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে ৫ অক্টোবর ১০০ জন গুণী শিক্ষককে ক্রেস্ট ও সম্মাননা দেবেন প্রধানমন্ত্রী। শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, আগে ১২ জন গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়া হতো। এবার সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ১০০ জন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, শিক্ষকরা দেশ ও জাতি গঠনের কাণ্ডারি। তাদের সুযোগ-সুবিধা কীভাবে আরও বাড়ানো যায়, সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।