সকালের নাশতায় রুটি খাওয়ার অভ্যাস উপকারী না ক্ষতিকর, কী বললেন পুষ্টিবিদ

ছবি: সংগৃহীত

বর্তমান যুগে সময় স্বল্পতার কারণে অনেকেই সকালে ঘুম থেকে উঠে ডাল ভাজি, সবজি কিংবা ডিম দিয়ে রুটি-পরোটায় নাশতা সেরে ফেলেন। রুটি-পরোটায় অবশ্য অল্প সময়ের মধ্যে পেট ভরে নাশতা করা যায়। কিন্তু কারও কারও আবার সকালে ভাত খাওয়ার অভ্যাস। যদিও প্রচলিত রয়েছে, মাছে-ভাতে বাঙালি। তাই হয়তো তারা এই ভাতেই তৃপ্তি খুঁজে পান।

এদিকে সকালে সময় স্বল্পতার কারণে যারা রুটি দিয়ে নাশতা করেন, তাদের মধ্যে কিছু প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু স্বঘোষিত বিশেষজ্ঞরা দাবি করছেন―সকালে রুটি খাওয়া ঠিক নয়। কেউ কেউ আবার এর নানা ক্ষতিকর দিকও তুলে ধরছেন। তাদের মতে ভাতই সেরা। ফলে সকালে রুটি খেয়ে স্কুল-কলেজ, অফিস বা বাইরে কাজে যাওয়া কর্তারা পড়েছেন দ্বিধাদ্বন্দ্বে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ ব্যাপারে কথা বলেছেন পুষ্টিবিদ মীনাক্ষী মজুমদার।

পুষ্টিগুণে সেরা:

প্রতিদিন যারা কঠোর পরিশ্রম করেন, তাদের শক্তির প্রয়োজন হয়। আর সাধারণত কার্বজাতীয় খাবার থেকেই শরীর শক্তি সরবরাহ করে। এ জন্য খাদ্যতালিকায় কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার রাখা উচিত। এ ক্ষেত্রে কর্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার রুটি বেশ উপকারী। এতে পর্যাপ্ত ফাইবার, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান রয়েছে। তাই সকালে রুটি খাওয়া যেতে পারে। ফলে বিভিন্ন রোগের সম্ভাবনাও এড়িয়ে চলা যায়।

সকালে রুটি খাওয়া কি ঠিক:

এ ব্যাপারে পুষ্টিবিদ মীনাক্ষী বলেন, সকালের নাশতায় কোনো যদি-কিন্তু ছাড়াই রুটি খাওয়া যায়। রুটির গ্লাইসেমিক ইনডেক্স অনেক কম। এ কারণে রুটি খেলে সুগার বেড়ে যাওয়ার ভয় থাকে না। আবার এতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ফাইবারও রয়েছে। এ জন্য রুটি খাওয়া হলে কোষ্ঠকাঠিন্যের আশঙ্কাও থাকে না। পাশাপাশি রুটিতে ভিটামিন, খনিজ ও অল্প পরিমাণ প্রোটিন রয়েছে। ফলে কেউ চাইলে সকালে নিয়মিত রুটি খেতে পারেন।

ভাতের বিকল্প রুটি খাওয়া যাবে:

ভাত ও রুটির মধ্যে খুব একটা পার্থক্য নেই। দুটি খাবারই পুষ্টিগুণে সেরা। তবে, রুটির থেকে ভাতের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স তুলনামূলক কিছুটা বেশি। ভাতে ফাইবারও কম থাকে। এ জন্য কেউ কেউ পুষ্টিগুণের কারণে রুটিকে এগিয়ে রাখেন। কিন্তু কেউ চাইলে কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছাড়াই সকালে ভাত খেতে পারেন। আবার ডায়াবেটিস থাকলেও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সকালে ভাত খাওয়া যেতে পারে।

কারা সতর্ক থাকবেন:

আটার রুটিতে গ্লুটেন নামক উপাদান থাকে। যা সবাই সহ্য করতে পারেন না। এ কারণে কারও কারও রুটি খাওয়া হলে সমস্যা হয়। যাদের গ্লুটেন অ্যালার্জি রয়েছে, তাদের রুটি না খাওয়াই ভালো। পাশাপাশি যাদের কোলাইটিস, সেলিয়াক ডিজিজ, আইবিডি, আইবিএস’র মতো সমস্যা রয়েছে, তাদেরও আটার রুটি এড়িয়ে চলা উচিত। তারা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ভাতে ভরসা রাখতে পারেন।


  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যুবলীগের পরশ ও তার স্ত্রীর বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

হরমুজ প্রণালি খুলে গে‌লে এলএনজি সরবরাহে বাংলা‌দেশ‌কে অগ্রাধিকারের অনুরোধ

দিনে ৬ থেকে ৮ বার বিদ্যুৎ বিভ্রাট: জেনারেটরহীন হাসপাতালগুলোতে দুর্ভোগ চরমে

রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় ৪৯১ গ্রেফতার, মামলা ৩৯

নেপালে দুইদিন ধরে টানেলে আটকে আছে ১০০ জন

রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া

নভেম্বরে তুরস্ক সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী

সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর ৭ জনের জানাজা একসঙ্গে অনুষ্ঠিত

সৌদি-যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু চুক্তি কংগ্রেসে, ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করলেই অনুমোদন!

সিলেটে হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু

১০

শেরপুরের গারো পাহাড়ে বাণিজ্যিকভাবে গোলাপ চাষ শুরু

১১

নেপালে ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধস, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬৯

১২