হার্টের রোগীদের জন্য হাঁসের ডিম খাওয়া নিরাপদ কি না?

ছবি: সংগৃহীত।

কারো পছন্দ মুরগির ডিম, কারো আবার হাঁসের ডিম। অনেকেই হাঁসের ডিমের আঁশটে গন্ধের কারণে তা খেতে চান না, আবার কারো মুরগির ডিমেই অরুচি। জনপ্রিয়তার দিক থেকে দুইটিই সমান, কিন্তু স্বাস্থ্য সচেতনরা প্রায়ই দ্বিধায় পড়েন—কোন ডিমটা খাবেন? হাঁসের ডিমে কি বেশি পুষ্টি, নাকি মুরগির ডিমই বেশি স্বাস্থ্যকর?

আর হাঁসের ডিমে মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ মুরগির ডিমের থেকে অনেক বেশি। এর পাশাপাশি হাঁসের ডিমে কোলেস্টেরল আর লবণের মাত্রাও বেশি। তাহলে কি হার্টের রোগীদের জন্য কোনো ডিমই খাওয়া স্বাস্থ্যকর নয়? 

বিশেষজ্ঞদের মতে, এমনটা নয়। যাদের হার্ট অ্যাটাক বা অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি হয়েছে, কিংবা যাদের ডায়াবেটিস আছে, তারাও সপ্তাহে তিনটি পর্যন্ত মুরগির ডিম খেতে পারেন। ডিমের সাদা অংশ প্রতিদিন খেলেও ক্ষতি নেই।

হাঁসের ডিম অবশ্য তুলনামূলক ভারী, তাই সপ্তাহে এক-দু’দিনের বেশি না খাওয়াই ভালো।

প্রসঙ্গত, ১০০ গ্রাম হাঁসের ডিম থেকে ১৮৫ কিলো ক্যালোরি শক্তি পাওয়া যায়। অন্যদিকে ১০০ গ্রাম মুরগির ডিম খেলে পাওয়া যায় ১৪৯ কিলো ক্যালোরি শক্তি। হাঁসের ডিমে প্রোটিনের পরিমাণ সামান্য বেশি থাকে। উভয়ের ডিমেই সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, কপার, পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম ও আয়রন থাকে। তবে আকারে বড় বলে হাঁসের ডিমে সব কিছুরই পরিমাণ কিছুটা বেশি থাকে। হাঁস ও মুরগি উভয়ের ডিমেই থিয়ামিন, নিয়াসিন, রাইবোফ্লোভিন, প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড, ফোলেট, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন ডি, ভিটামিন ই, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি১২ ও রেটিনল থাকলেও হাঁসের ডিমে সব ভিটামিনের পরিমাণই বেশি থাকে।


  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এলপি গ্যাসের দাম কমল

১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন তারেক রহমান

নতুন আইজিপি আলী হোসেন ফকির

ঈদে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির তারিখ ঘোষণা

শেরপুর ও বগুড়ার উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা

আরও ১২০২টি রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘ফ্যামিলি কার্ড’ কীভাবে পাবেন? আবেদনে যা যা লাগবে

ঢাকা দক্ষিণে মেয়র পদে লড়বেন ইশরাক হোসেন

সুপার এইটের হাইভোল্টেজ ম্যাচে সন্ধ্যায় মুখোমুখি পাকিস্তান-ইংল্যান্ড

গ্রাম আদালত বাতিল প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

১০

চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে ব্যবসা বন্ধ করে চলে যাব

১১

যেখানে মেয়াদ শেষ, সেখানে আগে সিটি নির্বাচন: মির্জা ফখরুল

১২