ইউএনএইচসিআর–এর ১৬ মার্চ প্রকাশিত মাসিক প্রতিবেদনে জানানো হয়, জানুয়ারি মাসে নতুন আগত রোহিঙ্গার সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩২৭। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে আরও ১ হাজার ১২৯ জন বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
বর্তমানে কক্সবাজারের বিভিন্ন আশ্রয়শিবিরে মোট ১১ লাখ ৮৪ হাজার ৮৬৪ জন রোহিঙ্গা অবস্থান করছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইউএনএইচসিআর বলছে, ২০২৪ সাল থেকে রাখাইন রাজ্যে লক্ষ্যভিত্তিক সহিংসতা ও নিপীড়নের কারণে বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এবং নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে পড়েছে। ফলে জীবন বাঁচাতে হাজার হাজার রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছে।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ১০ লাখ ৪০ হাজার ৪০৮ জন রোহিঙ্গার নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। এদের মধ্যে ৩৯ হাজার ৫০২ জন ১৯৯০ সালের পর এবং ১০ লাখ ৯০৬ জন ২০১৭ সালের পর বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রাখাইন রাজ্যে সংঘাত অব্যাহত থাকায় ২০২৪ সাল থেকে নতুন করে শরণার্থীদের প্রবেশ বন্ধ হয়নি। বিশেষ করে বছরের শেষ দিকে আশ্রয়শিবিরগুলোতে নতুন করে আগমনের একটি ঢেউ দেখা যায়। বর্তমানে তাদের বায়োমেট্রিক নিবন্ধন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মধ্যে প্রায় ৭৮ শতাংশ নারী ও শিশু। এছাড়া প্রায় ১২ শতাংশ বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী, যার মধ্যে রয়েছে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, একক অভিভাবক, গুরুতর অসুস্থ রোগী, সঙ্গীহীন শিশু ও ঝুঁকিতে থাকা বয়স্করা। এসব মানুষের জন্য বিশেষ সুরক্ষা ও সহায়তা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে ইউএনএইচসিআর।