বিদেশগামী যাত্রীদের ‘অফলোড’ বা বোর্ডিং থেকে বিরত রাখার অভিযোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বৈধ ভিসা, টিকিট ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও অনেক যাত্রীকে শেষ মুহূর্তে বিদেশযাত্রা থেকে আটকে দেওয়া হচ্ছে- এমন অভিযোগ উঠছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কর্মকর্তাদের ঘিরে।
ভুক্তভোগী যাত্রীরা জানান, ইমিগ্রেশন বা সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থার পক্ষ থেকে কখনো কখনো কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই তাদের বোর্ডিং করতে দেওয়া হয় না। অনেক ক্ষেত্রে লিখিত ব্যাখ্যাও দেওয়া হয় না বলে অভিযোগ রয়েছে। আবার শিফটভেদে কর্মকর্তাদের আচরণেও ভিন্নতা দেখা যায় বলে দাবি করেছেন কেউ কেউ।
তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, মানবপাচার, জাল ভিসা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ঠেকাতে বিমানবন্দরে কঠোর নজরদারি রাখা হয়। সন্দেহজনক তথ্য বা গোয়েন্দা সতর্কতা থাকলে যাত্রীকে বিদেশযাত্রা থেকে সাময়িকভাবে বিরত রাখা হতে পারে।
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক কর্মী বিদেশে কাজ করতে যান এবং তাদের পাঠানো অর্থ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম বড় উৎস। এ কারণে বিদেশযাত্রার প্রক্রিয়া নিয়ে কোনো ধরনের অনিশ্চয়তা বা অভিযোগ তৈরি হলে তা উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মহল। তাদের মতে, প্রতিটি ‘অফলোড’ সিদ্ধান্তের লিখিত ব্যাখ্যা ও পর্যালোচনার সুযোগ থাকলে অনেক প্রশ্নেরই সমাধান হতে পারে।