বাবা হারালেন রুনা খান

ছবি সংগৃহীত

বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুনা খানের বাবা ফরহাদ হোসেন রোববার (৯ মার্চ) দিবাগত রাতে বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল যথেষ্ট বেশি এবং তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সোমবার (১০ মার্চ) সকালে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন অভিনেত্রী। সেখানে কয়েকটি ছবি যুক্ত করে রুনা খান লিখেছেন, ‘আমার আব্বু চলে গেলেন..! তার আত্মার শান্তি কামনা করছি।’

ফরহাদ হোসেন ব্যক্তি জীবনে একজন সরকারি চাকুরিজীবী ছিলেন। তিনি টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার মসদই গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানেই তার দাফন অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানা গেছে।

রুনা খানের বাবার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন তার সহকর্মী এবং ভক্তরা। অভিনেত্রী তিন্নি তার শোকবার্তায় লিখেছেন, ‘আঙ্কেলের আত্মা শাস্তিতে থাকুক।’ অভিনেত্রী শ্রাবন্তীও সোশ্যাল মিডিয়ায় শোক জানিয়ে লিখেছেন, শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আমাদের সমবেদনা রইলো।

এদিকে রুনা খানের বাবার মৃত্যুর খবরে শোকপ্রকাশ করেছেন তার সহকর্মী ও ভক্তরা। তার পোস্টের কমেন্টে অভিনেত্রী গোলাম ফরিদা ছন্দা লিখেছেন, শান্তিময় হোক আংকেলের এ অনন্ত যাত্রা। সঙ্গীত পরিচালক ইমন সাহা লিখেছেন, প্রার্থনা।

হঠাৎ এমন পোস্টে শোক প্রকাশ করেছেন রুনার ভক্ত ও সহকর্মীরা। কঠিন শোক সামলানোর শক্তি আল্লাহ অভিনেত্রীকে দান করুন, এমন সমবেদনাও প্রকাশ করেছেন অনেক নেটিজেন। প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের মসদই গ্রামের বাড়িতে রুনা খানের বাবা ফরহাদ হোসেনের দাফন হওয়ার কথা রয়েছে। 


  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কলকাতায় সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেলেন জয়া আহসান

হল না পাওয়া সেই সিনেমাই জিতে নিল জাতীয় পুরস্কার

বাংলাদেশের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছে ১৬ দেশ, পাঠাচ্ছে অর্ধশতাধিক পর্যবেক্ষক

মালয়েশিয়ায় ৫৬ বাংলাদেশিসহ ২১৮ অবৈধ অভিবাসী আটক

পরিবারতন্ত্রের সংস্কৃতি চিরতরে মুছে দিতে চাই: জামায়াত আমির

জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের সহসভাপতি বাংলাদেশ

দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমলো কত?

দাঁড়িপাল্লা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের মার্কা: জামায়াত আমির

ফেনীতে জামায়াত আমিরের জনসভায় জনতার ঢল

নির্বাচনি প্রচারণায় আজ রংপুর যাচ্ছেন তারেক রহমান

১০

গণভোটের পর সরকারের মেয়াদ বাড়ছে—এমন দাবি ভিত্তিহীন: সরকার

১১

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাস্তবায়নে চিঠি

১২