ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তাদের সর্বশেষ ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলোতে ইসরায়েলের আরাদ, ডিমোনা, ইলাত, বিরশেবা ও কিরিয়াত গাত শহরের সামরিক স্থাপনা এবং নিরাপত্তাকেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
আইআরজিসি কুয়েতের আলী আল-সালেম ঘাঁটি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-মিনহাদ ও আল-ধাফরা ঘাঁটিতেও হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে। তাদের দাবি, এসব হামলায় ২০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
তবে ইসরায়েল কোনো নিহতের খবর নিশ্চিত করেনি। দেশটির অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা জানিয়েছে, আরাদ শহরে ৮৮ জন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া ডিমোনা থেকে আহত ৩৯ জনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ইরান আরো জানিয়েছে, ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো নিশানা হামলা হলে মার্কিন ও ইসরায়েলি স্থাপনায় পাল্টা আঘাত করা হবে। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত সব জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার হুমকি দিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী।
ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র এব্রাহিম জোলফাগারি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত পানিশোধনাগার (ডিস্যালাইনেশন প্ল্যান্ট) এবং তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামোতেও হামলা চালাবে ইরান।
এদিকে ফারস নিউজ এজেন্সি উল্লেখ করেছে, ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রয়াত প্রধান আলী লারিজানি আগেই সতর্ক করেছিলেন, ইরানের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনে (গ্রিড) হামলা হলে ‘আধা ঘণ্টার মধ্যে পুরো অঞ্চল (মধ্যপ্রাচ্য) বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়বে’।