ভোটকেন্দ্র কোথায়, খুঁজে বের করবেন যেভাবে

ছবি : সংগৃহীত।

বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় একযোগে দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে এবং নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোট চলবে। 

একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে সংবিধান সংস্কার ও ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বিষয়ে ঐতিহাসিক গণভোট, যা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে ভোটারদের আগ্রহের পাশাপাশি কেন্দ্র খুঁজে পাওয়ার বিষয়ে যাতে কোনো বিভ্রান্তি না থাকে, সে লক্ষ্যেই নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রযুক্তিনির্ভর একটি উদ্যোগ নিয়েছে। ‘স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি’ নামে একটি মোবাইল অ্যাপ চালু করেছে সংস্থাটি। 

এই অ্যাপ ব্যবহার করে ভোটাররা তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর দিয়ে সহজেই নিজের ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানতে পারবেন।

ইসির জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিকের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, Smart Election Management BD অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোর ও অ্যাপল অ্যাপ স্টোর উভয় প্ল্যাটফর্মেই পাওয়া যাচ্ছে। স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা সহজেই অ্যাপটি ডাউনলোড করে নিজেদের এনআইডি নম্বর প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রের বিস্তারিত তথ্য দেখতে পারবেন।

অ্যাপটির মাধ্যমে ভোটকেন্দ্রের সুনির্দিষ্ট অবস্থান (জিও লোকেশন), কেন্দ্রের ছবি, ভোটারের বর্তমান অবস্থান থেকে দূরত্ব এবং ম্যাপের মাধ্যমে দিকনির্দেশনা জানা যাবে। ফলে ভোটের দিন কেন্দ্র খুঁজে পেতে অনাকাঙ্ক্ষিত ভোগান্তি কমবে বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন। বিশেষ করে প্রথমবারের ভোটার বা যারা নতুন এলাকায় বসবাস করছেন, তাদের জন্য এটি কার্যকর সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।

এছাড়া এই অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের তথ্য, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের হলফনামা, নির্বাচন-সংক্রান্ত বিভিন্ন নির্দেশনা ও বিধি-বিধান এবং নির্বাচন-পরবর্তী ফলাফলও জানা যাবে। অর্থাৎ নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এক প্ল্যাটফর্মে পাওয়ার সুযোগ থাকছে।

ইসি জানায়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও এই অ্যাপটি চালু করা হয়েছিল। তখনও ভোটারদের তথ্যপ্রাপ্তি সহজ করতে এটি ব্যবহৃত হয়। এবার ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে অ্যাপটির কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা মনে করছেন, প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, সহজলভ্য ও ভোটারবান্ধব করা সম্ভব হবে। ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে ভোটারদের তথ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত করা গেলে নির্বাচনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

ভোটারদের উদ্দেশ্যে ইসি জানিয়েছে, ভোটের দিন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে। প্রয়োজনে অ্যাপের সহায়তা নিয়ে আগেই কেন্দ্রের অবস্থান নিশ্চিত করে নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

দেশব্যাপী নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠে রয়েছেন। নির্বাচন কমিশন আশা প্রকাশ করেছে, ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে।


  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এলপি গ্যাসের দাম কমল

১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন তারেক রহমান

নতুন আইজিপি আলী হোসেন ফকির

ঈদে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির তারিখ ঘোষণা

শেরপুর ও বগুড়ার উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা

আরও ১২০২টি রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘ফ্যামিলি কার্ড’ কীভাবে পাবেন? আবেদনে যা যা লাগবে

ঢাকা দক্ষিণে মেয়র পদে লড়বেন ইশরাক হোসেন

সুপার এইটের হাইভোল্টেজ ম্যাচে সন্ধ্যায় মুখোমুখি পাকিস্তান-ইংল্যান্ড

গ্রাম আদালত বাতিল প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

১০

চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে ব্যবসা বন্ধ করে চলে যাব

১১

যেখানে মেয়াদ শেষ, সেখানে আগে সিটি নির্বাচন: মির্জা ফখরুল

১২