চার ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহ হস্তান্তর করলো হামাস

ছবি সংগৃহিত।

ইসরায়েলি চার জিম্মির মরদেহ হস্তান্তর করেছে হামাস। বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ভোররাতে রেড ক্রসের কাছে ওই চার জিম্মির মরদেহ হস্তান্তর করেছে। হামাসের একজন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন: "চারটি মরদেহ কিছুক্ষণ আগে হস্তান্তর করা হয়েছে। আমরা ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তির জন্য অপেক্ষা করছি।

কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভোরে কড়া সেনা পাহারায় ৬২০ ফিলিস্তিনিকে অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লায় পৌঁছে দেয়া হয়। একইদিন রেড ক্রসের কাছে ৪ ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহ হস্তান্তর করে হামাস। এর আগে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জিম্মিদের হস্তান্তর করেছে হামাস। কিন্তু এবার ইসরায়েলের দাবির মুখে কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ছাড়াই এই বিনিময় হলো।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর কার্যালয় নিশ্চিত করেছে যে চার জিম্মির মৃতদেহ ফিরে এসেছে। তাদের পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে। 

উল্লেখ্য, গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত অনুযায়ী গত শনিবার ৬ ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেয় হামাস। তাদের সঙ্গে চার জিম্মির মৃতদেহও হস্তান্তর করে তারা। বিনিময়ে ৬২০ ফিলিস্তিনি কারাবন্দিকে মুক্তি দেয়ার কথা ছিল ইসরায়েলের। কিন্তু হামাস জিম্মিদের সঙ্গে ‘অসম্মানজনক আচরণ’ করছে অভিযোগ তুলে বন্দিদের মুক্তি স্থগিত করে ইসরায়েল।

তবে হামাস যাদের হস্তান্তর করতে সম্মত হয়েছিল এই চারটি মরদেহ তাদের কিনা তা এখনও নিশ্চিতের অপেক্ষা করা হচ্ছে।


  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

স্নাতক পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা বিনামূল্যে করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

দেশের ৪ জেলায় বন্যার পূর্বাভাস, এক জেলায় পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কা

তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির অ্যাডহক কমিটি গঠন নিয়ে রিট

নিজ দেশে নিপীড়নের শঙ্কার কথা বললে ভিসা দেবে না যুক্তরাষ্ট্র

যে হাত ইমারত তোলে, তাদের মাথার ওপর নিরাপদ ছাদ নেই

মে মাসের মধ্যেই দেশে হাম নিয়ন্ত্রণে আসবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আকস্মিক বন্যা মোকাবিলায় হাওরে ‘অ্যান্টিসিপেটরি অ্যাকশন’

৬ বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির আভাস, পাহাড়ে ভূমিধসের শঙ্কা

গিয়াস উদ্দিন সেলিমের পথের গল্পে ইয়াশ-বহ্নি, মুক্তি পাচ্ছে কবে

আন্দোলন-সংগ্রাম থেকে উন্নয়ন কার্যক্রমে সক্রিয় আব্দুল মজিদ খান

১০

অবিরাম বৃষ্টিতে ‍ডুবল নেত্রকোনায় হাওরের ধান

১১

বিশ্বের ১০০ জন তরুণ নেতার মধ্য জাবির মুনিয়া, উপাচার্যের অভিনন্দন

১২