পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশ হবে দক্ষিণ এশিয়ার বিনিয়োগ হাব। বৈশ্বিক অর্থনীতির অনিশ্চয়তা ও অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জের মাঝেও বাংলাদেশকে বিনিয়োগের জন্য স্থিতিশীল, পূর্বানুমানযোগ্য ও উন্মুক্ত গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরতে চায় সরকার।
শনিবার (১৩ জুন) সকালে রাজধানীতে একটি বিনিয়োগ সম্মেলন উদ্বোধনের সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার বিষয়ে সরকারের এমন ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানিসংকট, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও চ্যালেঞ্জকে নতুন সুযোগে রূপান্তরের লক্ষ্য নিয়েছে সরকার। তার মতে, বর্তমান জ্বালানিসংকটের ব্যাপ্তি ১৯৭০-এর দশকের দুই দফা তেলসংকটের চেয়েও বড় হতে পারে, যা ১৯৮০-এর দশককে অনেক উন্নয়নশীল দেশের জন্য উন্নয়নের একটি ‘হারানো দশক’ হিসেবে পরিণত করার অন্যতম প্রধান কারণ ছিল।
জ্বালানিসংকট এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, অর্থায়ন ও প্রযুক্তির এই উন্নয়নের মুখে প্রধানমন্ত্রীরও একটি সুনির্দিষ্ট ভিশন বা রূপকল্প রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে তিনি চ্যালেঞ্জগুলোকে নতুন সুযোগে রূপান্তর করতে চান। এ ক্ষেত্রে তিনটি মূল লক্ষ্য হলো: স্থিতিশীলতা আনা, সংস্কার করা ও উন্নয়ন সাধন করা। অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য কূটনীতির কাজের ক্ষেত্রে তার এই রূপকল্পকে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপে রূপান্তর করতে হবে।
অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে প্রথম প্রয়োজন আস্থা ও বিশ্বাস পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার বিষয়েও গুরুত্ব আরোপ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।